Popular Tags
- Residency (2)
- FCPS Part-1 (2)
- BCPS (2)
- Meritlist (1)
- Result (1)
- Embryology (1)
- Mnemonics (1)
- Admission (1)
- Form fill up (1)
- BSMMU (1)
- Poland Syndrome (1)
- Academic Post (1)
- Thoracic Surgery (1)
- DMCH (1)
- Radiology & Imaging (1)
- Orthopedic Surgery (1)
- D-Ortho (1)
- MS (Orthopedics) (1)
- Career (1)
- Hybrid Education (1)
- Surgery Preparation (1)
মেডিকেল কলেজে থাকা অবস্থায় কি পোস্ট গ্রাজুয়েশন সম্ভব!!!!
মেডিকেল কলেজে থাকা অবস্থায় কি
পোস্ট গ্রাজুয়েশন সম্ভব!!!!

কি অদ্ভুত প্রশ্ন!!! আসলে এটা অসম্ভব।
কিন্তু প্রশ্নটা করার নিশ্চয়ই একটা কারণ আছে। কারণটা হলো সম্ভাব্যতার। আমি অনেকদিন ধরে ভাবনাটা নিয়ে শেয়ার করতে চাচ্ছিলাম।
.
ব্যস্ততম পেশাজীবনে আজ শুধু নতুন করে শুরু করার সময়টুকু নেই বলে শেয়ার করছি। ছোটদের বয়সটাকে সত্যিই হিংসা হয়। যদি টাইম মেশিনে পেছনে জাস্ট ৫ বছর যাওয়া যেত?
ইন্টার্ন অবস্থায় পৃথিবী প্রায় সব দেশে গ্রহণযোগ্য একটা পোস্ট গ্রাজুয়েশনে পার্ট ১ দেয়া সম্ভব;
সেটা হলো MRCP/MRCS/MRCOG/MRCPCH etc. সুবিধা হলো দুটো পার্টই বাংলাদেশে বসে দেয়া যায়। কিন্তু এটা পপুলার না হবার পেছনে সমস্যা হলো দুটো।
উচ্চ ফি আর বাংলাদেশে রিকগনিশন, করে লাভ হবে কি? এ প্রশ্ন। টাকার আলাপ পরে করছি।

আমি জানিনা কেন বাংলাদেশে MRCP/MRCS/MRCOG/MRCPCH কে রিকগনাইজ করা নিয়ে এত জটিলতা তৈরি করে রাখা হয়েছে?
ইগো না অর্থনৈতিক ইস্যু না ভুল বোঝা?
যে ডিগ্রি পৃথিবী জুড়ে চলে; সে ডিগ্রি বাংলাদেশের মত ছোট্ট দেশে কারো রিকগনিশন পেল কি পেলনা; তাতে কিচ্ছু আসে যায়না। আমরা পারছিনা; আমাদের দৈন্যতা। অথচ পাচ বছর পর বেকার ডাক্তার হবে বিশ হাজার। সুতরাং এটা সাময়িক অসুস্থতা; একসময় ঠিক হয়ে যাবেই। যেতে বাধ্য হবে।
.
নিজেদের দেশে করা সোনার হরিণ ডিগ্রিটারই তো বেশিরভাগ দেশে প্র্যাকটিসের রিকগনিশন নেই। অথচ একটা MRCP/MRCS/MRCOG/MRCPCH এর সাথে জান্ট IELTS অথবা OET করা থাকলেই বেশিরভাগ দেশে কাজ করা; ফেলোশীপ করা; ট্রেনিং করা অনেক সহজ। বৃটেনে GMC পাওয়া যাচ্ছে। এ বছরও বাংলাদেশের অনেকে জাস্ট এ সিস্টেমে বৃটেন গিয়েছেন।
ডাক্তারদের যে বেইজ আছে,
তাদের জন্য IELTS কোন ব্যাপার না! ব্রিটিশ কাউন্সিলে সারাবছর পরীক্ষা চলে; দুবছর এফিসিয়েন্সির মেয়াদ থাকে; বাংলাদেশে বিভিন্ন বিভাগে পরীক্ষা দেয়া যায়। এটার সার্টিফিকেট পরীক্ষায় সাড়ে ১৬ হাজার টাকা লাগে (ওয়েবে শতশত ফ্রি টেস্ট সাইট আছে; এফিসিয়েন্সি না এলে টাকা নষ্ট করবেন না)।
সমস্যা হলো ছোট বেলায় বড়রা কেউ বলেনি; বলেনা। নিজেদেরও ফেসবুক দেখার পরে এসব বাড়তি কাজে টাইম থাকেনা। এমনকি এমডি/এমএস করার পর IELTS থাকলে তুমি যেকোন প্রার্থীর চাইতে এগুনো থাকবে।
টাকার আলাপে আসা যাক। কারণ এ ডিগ্রি না করার ৯৫% কারণ হল এটা। একবার পরীক্ষাটা দিতে খরচ হবে হয় প্লাস ৭০ হাজার; টাকাটা মোটেও কম নয়।
কিন্তু প্ল্যান করলে কি অসম্ভব?
এবার প্ল্যান সাজাই আসো।
ধর ফার্স্ট ইয়ার থেকে ফিফথ ইয়ার।
প্রতি মাসে শুরু থেকে ৫০০ টাকা সেভিংস ফর পোস্ট গ্রাজুয়েশন ফান্ডে রাখা হলে পাচ বছরের মাথায় ৫×১২x৫০০=৩০,০০০/= সেভ করা কি অসম্ভব?
এবার আস ইন্টার্ন লাইফ।
যে মানুষ তুমি সারাবছর ৫০০০ টাকায় চলেছো; ধরি মাসিক ৮০০০ ই খরচ করতে; ফাইনাল প্রফ পাশ করে এমন কি হল যে, পুরো ২০,০০০ খরচ করতে হবে? সো সেভিংস ফর পোস্ট গ্রাজুয়েশন ফান্ডে ১২০০০/= রাখা হলে এক বছরের মাথায় ১২×১২০০০=১,৪৪,০০০/= সেভ করা কি অসম্ভব?
ব্যাস; MRCP/MRCS, FCPS পার্ট ১, রেসিডেন্সি, কোচিং ফি; বই কেনার টাকা তো হয়ে গেল।
এত কষ্ট করতে পারব না?
তাহলে দরকার নাই। পোস্ট গ্রাজুয়েশন সবার জন্য নয়। পোস্ট গ্রাজুয়েশন ননীর পুতুলদের জন্য নয়।
যারা রেসিডেন্সিতে আছো বা ঢুকলেন;
যদি একটি ভালো বেসিক প্রিপারেশন থাকে; এখন থেকে প্ল্যান নিন। বাসমতি চাল স্টকে তো আছে; ভাত না পোলাও না কাচ্চি চাও? পড়া কমবেশি কাছাকাছি। যা চাইবেন; জাস্ট মশলাটা একটু এদিক ওদিক করুন।
আবার কোচিং?
মন না চাইলে কোন দরকার নেই। মন চাইলে করা যায়। কনফার্ম হয়ে নিন। বই কিনুন। আগে যাদের হয়েছে; তাদের থেকে ভালো করে তথ্য নিন।
ফেজ এর প্রথম বছরে পার্ট ১ ও ২ করে ফেলা সম্ভব।
ফেজ এ শেষ;
একবছরের অনারারি ট্রেনিং করা আছে? ওয়াও!!! MCPS টা দিয়ে ফেলুন, নাহলে একটা নেকলেস মিস হল বলে।
আর ফেজ B শুরুতে দুই টার্গেট:
রিসার্চ শেখা আর ক্লিনিক্যাল কম্পিটেন্সি অর্জন।
ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হবার সাথে সাথে IELTS টার্গেট।
রিসার্চ/থিসিসকে হেলা করবেননা। এটা পাশের ৫০%। আগামী দিনে রিসার্চ না জানলে ছাত্ররা দূরে থাকবে; একা বসে মুড়ি খেতে হবে।
মনের কথা জাস্ট শেয়ার করলাম অনাগত স্পেশালিষ্টদের সাথে।
কাজে লাগবে একদিন ইনশাল্লাহ। সেখানেই আমাদের আনন্দ। আরও তথ্য লাগবে?
কি IELTS, RESEARCH, MRCP/CS/COG?
মেডিকেল পোস্ট গ্র্যাড ক্যারিয়ার; যাই হোক; যেটাই হোক। জেনেসিস মেন্টরদের নক করুন।
সানন্দে পরিবারের সদস্য মনে করেই তারা সহযোগিতা করবে।
একরাশ শুভকামনা ও ভালোবাসা।